• সিলেট, সকাল ৬:১৮, ৬ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

গোপালগঞ্জে ডিসি’র দিকনির্দেশনায় ও পৌর প্রশাসকের তত্ত্বাবধানে ৮ ঘন্টায় কুরবানীর বর্জ্য অপসারণে জনমনে স্বস্তি বিরাজ করছে

admin
প্রকাশিত জুন ২, ২০২৬
গোপালগঞ্জে ডিসি’র দিকনির্দেশনায় ও পৌর প্রশাসকের তত্ত্বাবধানে ৮ ঘন্টায় কুরবানীর বর্জ্য অপসারণে জনমনে স্বস্তি বিরাজ করছে

কাজী ফারদীন রহমান, নিজস্ব প্রতিনিধি: গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আরিফ- উজ- জামানের দিক নির্দেশনায় ও পৌর প্রশাসক ফারিহা তানজিনের কঠোর মনিটরিং ও দূরদর্শিতায় মাত্র ৮ ঘন্টায় পবিত্র ঈদুল আযহা -২০২৬ উপলক্ষে কুরবানীর পশুর বর্জ্য অপসারণে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে গোপালগঞ্জ পৌর কর্তৃপক্ষ জেলা প্রশাসনের পূর্বঘোষিত প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, ঈদের দিন মাত্র ৮ ঘণ্টার মধ্যে পুরো পৌর এলাকার অলিগলি থেকে কুরবানির সব ধরনের বর্জ্য দ্রুততম সময়ে অপসারণ করা হয়েছে। গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. আরিফ-উজ-জামানের নির্দেশনা ও প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে এবার ঈদের দিন বৃহস্পতিবার (২৮ মে) দুপুর থেকেই মাঠে নামে গোপালগঞ্জ পৌরসভার এক ঝাঁক পরিচ্ছন্ন কর্মী। গোপালগঞ্জ পৌরসভার প্রশাসক ফারিহা তানজিনের প্রত্যক্ষ নেতৃত্বে প্রতিটি ওয়ার্ডে একযোগে চিরুনি অভিযান চালান পরিচ্ছন্ন কর্মীরা। শহরের প্রধান সড়ক থেকে শুরু করে ভেতরের ছোট-বড় সব গলির বর্জ্য দ্রুততম সময়ে সরিয়ে নেওয়া হয়। পৌর প্রশাসক ফারিহা তানজিন জানান, “গোপালগঞ্জের প্রতিটি অলিগলিতে কুরবানির বর্জ্য আমরা দ্রুততম সময়ে অপসারণের ব্যবস্থা নিয়েছি, যাতে সাধারণ মানুষের কোনো ধরনের অসুবিধা না হয়। ঈদের আনন্দ যাতে দুর্গন্ধ বা অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের কারণে ম্লান না হয়, সেটাই ছিলো আমাদের মূল লক্ষ্য।” বর্জ্য অপসারণের পর দুর্গন্ধ দূর করতে অলিগলিতে ব্লিচিং পাউডার ও তরল জীবাণুনাশক ছিটানো হয়ছে। এ সময় পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এ এইচ এম রকিবুল ইসলাম, প্রশাসকের ব্যক্তিগত সহকারী মাহফুজুর রহমান লাবলু, কনজারভেন্সী পরিদর্শক এমরান আলী মোল্লা সহ সংশ্লিষ্ট সকলেই উপস্থিত ছিলেন। পৌরসভার দ্রুত ও কার্যকর এ পদক্ষেপে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন পৌরবাসী। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এবার কুরবানির পরপরই পরিচ্ছন্ন কর্মীরা সক্রিয়ভাবে বর্জ্য সরিয়ে নেওয়ায় কোথাও কোনো দুর্গন্ধ ছড়াতে পারেনি। দ্রুত শহর পরিচ্ছন্ন করায় তারা জেলা প্রশাসন ও পৌর কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

এই নিউজ ১৪ বার পড়া হয়েছে