নিজস্ব প্রতিনিধি: ১০ জুন বুধবার বেলা ১১টায় ঢাকা রিপোর্টাস ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে আকাশ এন্টারপ্রাইজের মালিক মোঃ হাসানুজ্জামান বিরুদ্ধে পশুখাদ্য ক্রয়ে হিল্টন-হাফিজ সিন্ডিকেটও দুর্নীতির তদন্তের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেন ভুক্তভোগী ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান একাংশ। প্রিন্ট, ইলেক্ট্রনিক ও অনলাইন মিডিয়া কর্মীদের উদ্দেশ্য বাংলাদেশ প্রাণী গবেষণা ইন্সটিটিউট (বিএলআরআই) সাভার, ঢাকা ও প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তরের অধিনে দেশের বিভিন্ন জেলায় পশুখামার ও প্রকল্পে পশুখাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থায় সিন্ডিকেট ব্যবস্থা এবং অনিয়ম ও দূর্ণীতির চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, দীর্ঘ ১৮ বছর যাবৎ ঠিকাদার হাফিজুর রহমান তার নিয়ন্ত্রাধীন ৪টি প্রতিষ্ঠান( মেসার্স তুষার এন্টারপ্রাইজ, এনআর সিস্টেম, রোহান ইন্টারন্যাশনাল ও মেসার্স শিখা এন্টারপ্রাইজ) মাধ্যমে বিএলআরআই সাভার, ঢাকা’র পশুখাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থা নিজ নিয়ন্ত্রণে । তিনি আরও জানান, পশুখাদ্য সরবরাহের জন্য আহবানকৃত দরপত্রে অযাচিত শর্তারোপের মাধ্যমে বিগত ১৮বছর ধরে হাফিজুর রহমানকে পশুখাদ্য সরবরাহের কাজ দেওয়া হয়, এতে করে পিপিআর ২০০৮ ও ২০২৫ আইন সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। একই কায়দায় ঢাকা সাভারে অবস্থিত কেন্দ্রীয় গোপ্রজনন ও দুগ্ধ খামার ও ছাগল খামার সহ বিভিন্ন প্রকল্প নিজ আয়ত্ত্বে রেখেছেন।
অন্য দিকে ঠিকাদার হিল্টন কুমারও একই নিয়মে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি নিজ নামীয় এইচএন ইন্টারপ্রাইজ, তার স্ত্রীর নামে মেসার্স অঙ্কিতা এন্টারপ্রাইজ, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা তুহিনের নামে এফএম ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল এবং তুহিনের মায়ের নামে মেসার্স লুৎফা এন্টারপ্রাইজসহ চারটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সেই স্পেসিফিকেশন অর্থাৎ অযাচিত শর্তারোপ ফর্মুলা প্রয়োগ করে পশুখাদ্য সরবরাহ ব্যাবস্থায় সিন্ডিকেট মাধ্যমে কাজ করছে।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে, ভুক্তভোগী ঠিকাদাররা বলেন, হিল্টন কুমার পলাতক আওয়ামী সরকারের সাবেক মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রী আঃ লতিফ বিশ্বাসের এপিএস ছিলেন। সেই সুবাদে মন্ত্রণালয়ের সব কিছু চিরচেনা এবং সেই পথ ধরে পশুখাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থায় সিন্ডিকেটে ২৫ থেকে ২৭ টি জেলা নিয়ন্ত্রণে রেখেছেন। এসব অনিয়ম ও দূর্নীতির সংবাদ বিভিন্ন সময় বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলেও তাতে কোন প্রকার প্রদক্ষেপ নেয়নি উপরের মহল গুলো । সংবাদ সম্মেলনে তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, পশুখাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থায় পিপিআর আইন ২০০৮ ও২০২৫ বাস্তবায়ন করে সাধারণ ঠিকাদারদের দরপত্রে অংশগ্রহণ করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার আহ্বান জানান। এর সাথে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে চিহ্নিত আওয়ামী সিন্ডিকেট ভেঙে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য অনুরোধ করে।